1. admin@ukbanglanews.com : UK Bangla News : Tofazzal Farazi
  2. belalmimhos@gmail.com : Bellal Hossen : Bellal Hossen
  3. kashemfarazi8@gmail.com : Abul Kashem Farazi : Abul Kashem Farazi
  4. robinhossen096@gmail.com : Robin Hossen : Robin Hossen
  5. tuhinf24@gmail.com : Firoj Sabhe Tuhin : Firoj Sabhe Tuhin
বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ০২:৪৭ অপরাহ্ন

ইলন মাস্কের চোখ এবার টেলিকম ব্যবসায়

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩১ মে, ২০২১
  • ৩০ বার

ইলন মাস্কের পরবর্তী লক্ষ্য হচ্ছে টেলিকম ব্যবসা। স্টারলিংকের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী কম খরচে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বিশ্বের যেসব প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধা নেই, সেখানে সেবা পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে স্টারলিংক।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের কথা সবার জানা। গাড়ি, রকেটসহ নানা ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাঁর নাম। তিনি আরও নতুন নতুন উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। তবে তাঁর স্বপ্ন আরও বড়। কম খরচে মহাকাশ ভ্রমণ সুবিধা দিতে চান তিনি। গড়তে চান মঙ্গল গ্রহে বসতি। পৃথিবীর টেলিকম ব্যবসার গতিপ্রকৃতিও বদলে দিতে চান। সম্প্রতি ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্ট–এর এক প্রতিবেদনে ইলন মাস্কের ভিন্নধর্মী উদ্যোগগুলো তুলে ধরা হয়েছে।

ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, যা ওপরে ওঠে, তাকে অবশ্যই নামতে হয়। ক্রিপটোকারেন্সি বিটকয়েনের বেলায় কথাটি নিশ্চয়ই খাটে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে টেসলার সহপ্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক বিটকয়েন সমর্থন করে টুইটারে পোস্ট দেন।

বিটকয়েনের বিনিয়োগের ঘোষণাও দেন। এতেই হু হু করে বেড়ে যায় এ ক্রিপটোকারেন্সির দাম। কিন্তু মে মাস আসতে না আসতেই তিনি বিটকয়েনের বিষয়ে সতর্ক করেন সবাইকে। বিটকয়েন ব্যবহার করে গাড়ি কেনার সুবিধা বন্ধ করে দেয় তাঁর প্রতিষ্ঠান টেসলা। আর এতেই কমতে শুরু করে বিটকয়েনের দাম। ইলন মাস্কের আগ্রহ শুধু বিটকয়েন নিয়েই আটকে নেই। তাঁর প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স কাজ করছে বিশাল রকেট নিয়ে।

গত ৫ মে স্পেসএক্সের বিশাল ‘স্টারশিপ’ রকেটের প্রোটোটাইপ সংস্করণ টেক্সাসের আকাশে পরীক্ষামূলকভাবে ওড়ে। এরপর তা আবার ফিরে আসে লাঞ্চপ্যাডে। স্টারশিপের জন্য অনেক উঁচুতে ওঠার প্রথম কোনো পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন এটি ছিল না। তবে স্পেসএক্সের জন্য সুখবর হচ্ছে, কোনো দুর্ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ড ছাড়াই সফলভাবে স্টারশিপ রকেটের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

স্পেসএক্স নামের এ রকেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি ২০০২ সালে ইলন মাস্ক প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি এখনো অবশ্য বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বেশি পরিচিত। তবে টেসলার মতোই স্পেসএক্সের ক্ষেত্রেও তিনি অপ্রচলিত প্রযুক্তিই বেছে নিয়েছেন আর তাতে উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। রকেট শিল্পে যাঁরা এত দিন ধরে জায়গা দখল করে ছিলেন তাদের কাঁপিয়ে দিয়েছেন।

ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, টেসলার মিশন হচ্ছে টেকসই শক্তিতে বিশ্বের স্থানান্তরকে ত্বরান্বিত করা। আর স্পেসএক্সের মিশন আরও বৃহত্তর। ইলন মাস্ক চাইছেন, পৃথিবীর বাইরেও মানবসভ্যতার স্থানান্তর করতে। তিনি মঙ্গল গ্রহে বসতি স্থাপনের মধ্য দিয়ে এর সূচনা করতে চান। তাঁর এ ভবিষ্যৎ লক্ষ্যের কারণে টেসলার মতোই স্পেসএক্সের মূল্যায়নও তাই বেড়েছে বহু গুণে।

তথ্য বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান পিচ বুকের তথ্য অনুযায়ী, গত এপ্রিলে শেষ হওয়া স্পেসএক্সের সর্বশেষ তহবিল সংগ্রহের সময়ে স্পেসএক্সের মূল্যায়ন দাঁড়িয়েছে ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০২০ সালের আগস্টে ছিল ৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান সিটি ইনসাইড স্পেসএক্সকে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামি স্টার্টআপের তালিকায় তিনে রেখেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 UK বাংলা News
Desing & Developed By SSD Networks Limited
error: Content is protected !!