1. admin@ukbanglanews.com : UK Bangla News : Tofazzal Farazi
  2. belalmimhos@gmail.com : Bellal Hossen : Bellal Hossen
  3. kashemfarazi8@gmail.com : Abul Kashem Farazi : Abul Kashem Farazi
  4. robinhossen096@gmail.com : Robin Hossen : Robin Hossen
  5. tuhinf24@gmail.com : Firoj Sabhe Tuhin : Firoj Sabhe Tuhin
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন

ভরা বর্ষার আগেই ঢাকায় জলজট

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২ জুন, ২০২১
  • ২১ বার

৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। জলজটের কারণে সড়কে সৃষ্টি হয় যানজটের।

বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা—এটাই যেন রাজধানীবাসীর নিয়তি। এমন পরিস্থিতি থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে নানা উদ্যোগ নেয় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। ওয়াসার কাছ থেকে খাল, নর্দমা, বক্স কালভার্ট ও পাম্পিং স্টেশনের নিয়ন্ত্রণ নেয় নিজেদের হাতে। চালানো হয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান। কিন্তু মৌসুমের প্রথম পরীক্ষায় ‘পুরোপুরি পাস’ করতে পারেনি দুই সিটি। গতকাল মঙ্গলবার বছরের প্রথম ভারী বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় ঢাকার অনেক এলাকার রাস্তাঘাট।

অবশ্য দুই সিটির উদ্যোগ সত্ত্বেও ভারী বৃষ্টিতে এবারও জলাবদ্ধতা হতে পারে—এমন আশঙ্কার কথা আগেই জানিয়ে রেখেছিলেন নগরবিদেরা। তাঁরা বলছেন, কাজের কিছু সুফল পাওয়া গেছে। গতকাল অনেক জায়গা থেকে অল্প সময়ে পানি নেমে গেছে। সমস্যার স্থায়ী সমাধানে তাঁরা জনসম্পৃক্ত পরিকল্পিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

গতকাল সকাল ৬টায় শুরু হয় বৃষ্টি। চলে সকাল ৯টা পর্যন্ত। আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাবে, এ সময় বৃষ্টি হয়েছে ৮৫ মিলিমিটার। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আরও ৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। ঢাকার এই বৃষ্টি ছিল গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১৭ সালের ১২ জুন রাজধানীতে ১৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়।

গতকালের বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। জলজটের কারণে কয়েকটি সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় অফিসগামী লোকজনকে। তাঁদের একজন সাজেদা আক্তার। তাঁর বাসা মিরপুরে। সকাল ৮টায় মতিঝিলের কর্মস্থলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হন তিনি। ‘কালশী রোডে গিয়েই দেখি সড়কে কোমরসমান পানি। এর মধ্যে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি মিরপুর ১০ নম্বর থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত সড়ক তলিয়ে গেছে। মিরপুর ১০ থেকে মিরপুর ১৪ নম্বরের সড়কেরও একই অবস্থা।’ বলেন সাজেদা।

সাজেদার মতো যাঁরা জীবিকার তাগিদে ঘর থেকে বের হয়েছেন, তাঁদের পড়তে হয়েছে এমন পরিস্থিতিতে। পূর্ব শেওড়াপাড়ার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বললেন, বাসা থেকে নেমে দেখি সড়কে হাঁটুপানি। পূর্ব শেওড়াপাড়ায় এই স্থায়ী বাসিন্দা জানান, এক যুগেরও বেশি সময়ে তাঁর বাসার সামনে এত পানি জমতে দেখেননি তিনি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিগত বছরগুলোর মতো গতকালও মিরপুরের কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, রোকেয়া সরণি, দারুস সালাম রোড, শ্যামলী, ধানমন্ডি ২৭, গ্রিন রোড পানিতে তলিয়ে গেছে। নিউ এলিফ্যান্ট রোড, কালশী, কমলাপুর, রাজারবাগ, রামপুরা, খিলক্ষেত, মহাখালী, কাকলী, গুলশান–বাড্ডা লিংক রোডের কোথাও পানির পরিমাণ ছিল হাঁটুসমান, কোথাও প্রায় কোমরসমান। সড়ক তলিয়ে যাওয়ার কারণে সড়কে গণপরিবহনের সংখ্যা ছিল কম।

মিরপুর থেকে সদরঘাটগামী একটি একটি বাসের চালক মোহাম্মদ রায়হান প্রথম আলোকে বলেন, মিরপুর থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত সড়কে মেট্রোরেলের কাজ শেষ হলেও এখনো সড়ক ঠিক হয়নি। বিভিন্ন জায়গায় গর্ত রয়ে গেছে। ঝুঁকি নিয়েই পানি মাড়িয়ে গাড়ি চালিয়েছেন তিনি।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ওয়াসার কাছ থেকে খাল, নর্দমা ও পাম্পস্টেশনের দায়িত্ব নেয় ঢাকার দুই সিটি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 UK বাংলা News
Desing & Developed By SSD Networks Limited
error: Content is protected !!