1. admin@ukbanglanews.com : UK Bangla News : Tofazzal Farazi
  2. kashemfarazi8@gmail.com : Abul Kashem Farazi : Abul Kashem Farazi
  3. tuhinf24@gmail.com : Firoj Sabhe Tuhin : Firoj Sabhe Tuhin
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন

অর্ধেক বাস চলার কারণ জানালেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১
  • ৩১ বার
বিজ্ঞাপন

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেছেন, অন্তত কিছুদিন জেলাপর্যায়ে ডিসি, এসপি, পরিবহনমালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে বসে যত বাস আছে, তার অর্ধেক চালাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়, যাতে বাইরে থেকে চাপ কম হয়। একসঙ্গে বেশি গাড়ি ঢাকা বা চট্টগ্রামে ঢুকতে না পারে।

এ সিদ্ধান্ত কেবল আন্তজেলার জন্য কি না, তা প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটি স্থানীয় প্রশাসনের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক স্থানীয় প্রশাসন এটা ঠিক করবে। ডিসি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং মালিক ও শ্রমিকেরা বসে পদ্ধতি বের করবেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিবেচনায় আগে আসনসংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হতো। কিন্তু মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা গতকাল রোববারের আদেশে বলা হয়েছে, সড়ক, রেল ও নৌপথে আসনসংখ্যার সমপরিমাণ যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন বা যানবাহন চলাচল করতে পারবে। সড়কপথে গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন (সিটি করপোরেশন এলাকায় বিভাগীয় কমিশনার ও জেলাপর্যায়ে জেলা প্রশাসক) নিজ নিজ অধিক্ষেত্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সংশ্লিষ্ট দপ্তর বা সংস্থা, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিদিন মোট পরিবহনসংখ্যার অর্ধেক চালু করতে পারবে।

সবকিছু খুলে দেওয়ার পর সড়কপথে অর্ধেক গণপরিবহন তথা বাস চললে মানুষের চাপ বৃদ্ধির আশঙ্কা আছে, যা সংক্রমণের বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকেই।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, প্রথমত, শতভাগ যাত্রী নিয়ে অর্ধেক বাস চললে চাপ বাড়বে। এর কী যুক্তি থাকতে পারে, সেটি তাঁরাও বুঝতে পারছেন না। এমনিতেই শ্রমিকেরা কর্মহীন অবস্থায় আছেন। এখন অর্ধেক বাস চললে শ্রমিকেরাও অসুবিধায় পড়বেন। এ জন্য এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা দরকার।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এ বছরের ৫ এপ্রিল থেকে ধাপে ধাপে বিধিনিষেধ চলছে। ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়, যা প্রথমে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ছিল। পরে তা ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়। গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নতুন আদেশে জানিয়েছে, বুধবার থেকে শর্তসাপেক্ষে প্রায় সবকিছুই খুলে দেওয়া হচ্ছে। ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যালোচনাসংক্রান্ত আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আদেশে গণপরিবহন ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকবে সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। শপিং মল, মার্কেট ও দোকানপাট সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রাখা যাবে। সব শিল্পকারখানা চালু থাকবে। আর খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁয় অর্ধেক আসন খালি রেখে সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা যাবে। আদালতের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।

আদেশে আরও বলা হয়, সব ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। গণপরিবহন, বিভিন্ন দপ্তর, মার্কেট, বাজারসহ যেকোনো প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে অবহেলা দেখা গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব বহন করতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 UK বাংলা News
Desing & Developed By SSD Networks Limited
error: Content is protected !!