1. admin@ukbanglanews.com : UK Bangla News : Tofazzal Farazi
  2. kashemfarazi8@gmail.com : Abul Kashem Farazi : Abul Kashem Farazi
  3. tuhinf24@gmail.com : Firoj Sabhe Tuhin : Firoj Sabhe Tuhin
জরিমানা দিয়ে ক্ষমা চাইলেন বরিস জনসন - UK বাংলা News
শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:১০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
১১ মাসে নদীতে ৩২৫ লাশ, জেলেদের জালে উঠে আসছে কঙ্কাল-খুলি ১৮ কোটি টাকা বকেয়া বিদ্যুৎ বিল, সংযোগ বিচ্ছিন্ন পৌরসভার রংপুরে বিএনপির সমাবেশের দিন পরিবহন ধর্মঘট প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসেই প্রশ্নবাণে জর্জরিত ঋষি, যেভাবে সামলালেন নিজেকে এবার বরিশালে বিএনপির সমাবেশের আগে দুই দিনের বাস ধর্মঘট হোয়াটসঅ্যাপ কাজ করছে না, যা বলছে মেটা কর্তৃপক্ষ ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং কোথায় কত বৃষ্টি ঝরাল সাবেক চীনা নেতা হু জিনতাওকে পার্টি কংগ্রেস থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে নিহত ২ নগরীর ২০নং ওয়ার্ডে পুরুষশূন্য প্রবাসীদের কিশোর গ্যাংয়ের হামলা ভাংচুর লুটপাট! নারীসহ আহত ৬জন

জরিমানা দিয়ে ক্ষমা চাইলেন বরিস জনসন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২২
  • ২০৮ বার

কোভিড-১৯ লকডাউন চলার সময় আইন ভঙ্গ করে পার্টি করায় পার্লামেন্টে ক্ষমা চেয়েছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। প্রথমে লকডাউন পার্টির অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে পুলিশের তদন্তে জনসনের অপরাধ প্রমাণিত হয়। এরপরই প্রথমে বৃটিশ নাগরিকদের কাছে পরে মঙ্গলবার পার্লামেন্টে ক্ষমা চান প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া পুলিশ তাকে ৫০ পাউন্ড জরিমানাও করেছে।


ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় এমন শাস্তির মুখে পড়া প্রথম বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। পুলিশ যদিও আগেই এই শাস্তি ঘোষণা করেছিল। তবে শাস্তি পাওয়ার পর মঙ্গলবার প্রথম পার্লামেন্টের মুখোমুখি হতে হয় জনসনকে। তার সঙ্গে জরিমানা করা হয়েছে বৃটিশ অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাককেও।

পার্লামেন্টে তাদের দু’জনের পদত্যাগ দাবি করেছেন বিরোধী নেতারা। এমনকি জনসনের নিজের দলের কিছু নেতাও দাবি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। কিন্তু জনসন সেই দাবি আমল দেননি। তবে এবার হাউস অফ কমন্সে ১১ দিন স্টারের ছুটির পর বিরোধীদের মুখোমুখি হতে হয় জনসনকে। এতে তিনি নিজের ভুলের জন্য সকলের কাছে ক্ষমা চান।
মঙ্গলবার জনসন বলেছেন, আমি আবার ক্ষমা চাই। প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে মানুষ আরও বেশি প্রত্যাশা করতেই পারেন। তবে কার্যালয়ে জমায়েতের ফলে যে করোনাবিধি ভঙ্গ হচ্ছে, তা তিনি বুঝতে পারেননি। আমি আবার বলছি, এটা আমার ভুল। আমি তার জন্য ক্ষমা চাইছি। উল্লেখ্য, হাউস অফ কমন্সে জনসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। কিন্তু তার দলের নেতারাই প্রশ্ন তুলেছেন, মানুষ যখন করোনার কারণে ঘরবন্দি হয়ে বসে আছে, তখন প্রধানমন্ত্রী পার্টি করছেন, এটা মেনে নেয়া যায় না।
জনসন ইতিমধ্যেই ৫০ পাউন্ড জরিমানা দিয়েছেন। কিন্তু লন্ডন পুলিশের তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। তারা জনসনের বিরুদ্ধে লকডাউনের সময় পার্টি করার আরও অভিযোগ নিয়ে তদন্ত করছে। তাছাড়া তিনি পার্লামেন্টকে বিপথচালিত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কারণ, জনসন পার্লামেন্টে দাবি করেছিলেন, তিনি কোনো আইন ভাঙেননি। এই বিষয়টি নিয়েও তদন্ত হচ্ছে। এই আচরণবিধি ভাঙার ঘটনা প্রমাণিত হলে মন্ত্রীরা সাধারণত পদত্যাগ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2022 UK বাংলা News
Design & Developed By SSD Networks Limited
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
error: Content is protected !!